Sangbad Bangla 24

News

 শিরোনাম
  • Circular Economy in the Garment Sector Development is Urgent The international study titled ‘Circular Economy in Bangladesh’s Apparel Industry (CREATE)’ will play a great role in developing the government’s policy for a circular economy in the garment sector Special Correspondent ...
  • সোনার দামে নতুন রেকর্ড, ভরি ১৩৫৬৬৪ টাকা সংবাদ বাংলা: সোনার দামে নতুন রেকর্ড করেছে। ভরি ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬৪ টাকা। সর্বোচ্চ দামের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করল। আগামীকাল বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে...
  • পদ্মায় মুন্সিগঞ্জ বিক্রমপুর পরিব্রাজক ফোরামের নৌভ্রমণ চাষী সিরাজুল ইসলাম: পদ্মায় মুন্সিগঞ্জ বিক্রমপুর পরিব্রাজক ফোরামের নৌভ্রমণ নিয়ে কিছু কথা। গত ১৮ মার্চ ময়ূরপঙ্খি নাওয়ে পদ্মা ভ্রমণের সুখস্মৃতি। সকাল পৌনে সাতটায় ধানমন্ডি থেকে বাসে চেপে বসলাম। গুলিস্তানে এসে...
  • জবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাই কমিটির চতুর্থ সভা অনুষ্ঠিত সংবাদ বাংলা: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটির চতুর্থ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় জবির অ্যাকাউন্টিং বিভাগের সেমিনার কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি কামরুল হাসান রিপনের...
  • মীরপুরে এক বেলা আহারের শীতবস্ত্র বিতরণ সংবাদ বাংলা: শীত বস্ত্র বিতরণ করেছে ‘এক বেলা আহার’ সংগঠন। শনিবার  মীরপুরে শরীফ শিক্ষা পরিবার স্কুলের ১৬০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে  শীতবস্ত্র, কলম ও খাতা বিতরণ করা হয়। এসময় এলাকার বিশিষ্টজন...

ইতিহাস বিকৃত অলির বই বাজেয়াপ্ত

ইতিহাস বিকৃত অলির বই বাজেয়াপ্ত
ডিসেম্বর ০৮
২৩:৩৭ ২০২০
সংবাদ বাংলা: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করায় এলডিপি সভাপতি অলি আহমদের লেখা ‘রেভোলিউশন, মিলিটারি পারসোনেল অ্যান্ড দ্য ওয়ার অব লিবারেশন ইন বাংলাদেশ’ বইটি নিষিদ্ধ ও বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। এক সময়ের বিএনপি নেতা অলির ওই বইতে সাবেক সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানকে ‘দেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল।
তার লেখা অন্য যেসব বইয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে, সেগুলোও নিষিদ্ধ ও বাজেয়াপ্ত করতে বলেছে আদালত। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও তথ্য মন্ত্রণালয়কে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ এনে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের হাই কোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার রুলসহ এ আদেশ দেয়। আদালতে রিটকারী পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।
এছাড়া গত ১৭ অগাস্ট সাংবাদিক কনক সরওয়ারের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেইসবুক লাইভে অলি আহমদের সাক্ষাৎকারসহ বিদেশে থাকা কনক সরওয়ারের ‘দেশবিরোধী’ সব ভিডিও কনটেন্ট ‘নিষিদ্ধ, বন্ধ, অকার্যকর ও অপসারণ’ করতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ওই সাক্ষাতকারেও জিয়াউর রহমানকে ‘দেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন অলি।
কনক সরওয়ারের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেইসবুক লাইভে অলি আহমদের দেওয়া ওই সাক্ষাতকার নিষিদ্ধ, বন্ধ, অকার্যকর ও অপসারণ করতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
সেই সঙ্গে ‘সংবিধানের ঘোষণাপত্রের সাথে সাংঘর্ষিক ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে’ অলির লেখা ‘রেভোলিউশন, মিলিটারি পারসোনেল অ্যান্ড দ্য ওয়ার অব লিবারেশন ইন বাংলাদেশ’ বইটি বাজেয়াপ্ত করতে এবং তার বিরুদ্ধে ‘যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা’ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
আইনজীবী মঞ্জুরুল হক বলেন, অলি আহমদ মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসকে বিকৃত করেছেন। ভবিষ্যত প্রজন্ম এই বই পড়ে বা সাক্ষাতকারটি শুনে বিভ্রান্ত হবে। শুধু তাই না, তার বক্তব্য এবং লেখা আমাদের সংবিধানের ঘোষণাপত্রও লঙ্ঘন করেছে। ফলে আদালত রুলসহ অন্তবর্তী আদেশ দিয়েছে।
ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ এনে গত ৭ সেপ্টেম্বর অলি আহমদকে উকিল নোটিস দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ আসিফ। সেখানে অলি আহমদকে সাক্ষাতকারের ওই বক্তব্য প্রত্যাহারের অনুরোধ করা হয়েছিল। ২০ সেপ্টেম্বর সেই নোটিসের জবাব দেন অলি।
সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে ১৯৭৮ সালে সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের গড়ে তোলা বিএনপিতে যোগ দেন অলি আহমদ। সর্বশেষ বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে থাকা অলি দুই দফায় খালেদা জিয়ার সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। ২০০৬ সালে বিএনপি ছেড়ে আরেক সাবেক বিএনপি নেতা এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সঙ্গে মিলে এলডিপি গঠন করেন অলি আহমদ। পরে মতবিরোধ দেখা দিলে বদরুদ্দোজা তার পুরনো দল ‘বিকল্পধারা বাংলাদেশ’ পুনরুজ্জীবিত করে নিজের নেতৃত্বাধীন এলডিপির নাম বদলে ফেলেন। ২০০৮ সালে অলির নেতৃত্বাধীন এলডিপি নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পায়।

০ Comments

No Comments Yet!

There are no comments at the moment, do you want to add one?

Write a comment

Write a Comment

Leave a Reply

ফটো গ্যালারি

This slideshow requires JavaScript.

কারবার স্মৃতিতে অনন্য হোসনি দালান

ঢাকাইয়া বনেদি খাবার